Niagara Falls II Astounding place for Tourist IIনায়াগ্রার অজানা তথ্য

Niagara Falls II Astounding place for Tourist IIনায়াগ্রার অজানা তথ্য

#public_eye_Program #Niagara_falls
নায়াগ্রা জলপ্রপাতের নাম আমরা বেশিরভাগ মানুষই জানি। কিন্তু নায়াগ্রা জলপ্রপাতের এমন অনেকগুলো বিস্ময়কর বিষয় আছে যেগুলো আমরা জানিনা।
পানিপ্রবাহের দিক থেকে এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ঝরণা। বলা হয়ে থাকে প্রতি মিনিটে এই ঝরণা ৪০ লাখ ঘনফুট পানি প্রবাহিত করে। এর আদি উৎস নিয়ে নানা বিতর্ক থাকলেও ঐতিহাসিকরা বলেন, প্রায় ১০ হাজার বছর আগে এই ঝর্ণাটির উৎপত্তি হয়েছিলো। প্রতিবছর প্রায় তিন কোটির বেশি মানুষ এই জলপ্রপাতটি দেখতে আসে। পাবলিক আই প্রোগ্রামের এই পর্বে জানবো সৃষ্টির বিস্ময় নায়াগ্রা জলপ্রপাত সর্ম্পকে।
শুরুতেই অনুরোধ থাকবে আপনি যদি আমাদের চ্যানেলে নতুন হয়ে থাকেন তাহলে সাবস্ত্রাইব করে বেল আইকন চেপে আমাদের সঙ্গে থাকবেন।
নায়াগ্রা জলপ্রপাস আমেরিকার নিউইয়র্ক এবং কানাডার অন্টারিও আর্ন্তজাতিক সীমারেখা বা সীমান্ত অবস্থিত। নায়াগ্রা অঙ্গিয়ারা শব্দের পরিবর্তিত রুপ। যার অর্থ বিপুল জলরাশির বজ্রধ্বনি।
এই ঝরণার পানির শব্দ এতটাই তীব্র যে এখানে অন্যসব শব্দ ম্লান হয়ে যাবে। পানির চমৎকার এক শব্দের কাছে আপনি মোহবিষ্ট হবেন।
এটি আমেরিকান অন্যতম পর্যটন আকর্ষণের কেন্দ্র একারণে সড়ক রেল বিমান সব উপায়ে আপনি যেতে পারবেন নায়াগ্রার পাশে।
নায়াগ্রা জলপ্রপাত কোন একক ঝরণা নয়। এটি মুলত তিনটি জলপ্রপাতের সমষ্টি।
উত্তর আমেরিকার সবচেয়ে শক্তিশালী জলপ্রপাত এটি। নায়াগ্রা জলপ্রপাতের তিন ভাগের এক ভাগ আমেরিকায়। এর নাম ‘আমেরিকান ফলস’।তবে আমেরিকা থেকে ভালোভাবে নায়াগ্রার মুল দৃশ্য দেখা সম্ভব নয়।তবে আরেকটি মজার বিষয় আমেরিকার নায়াগ্রা নদীর কাছ থেকে জলপ্রপাতটি সবচেয়ে কাছ থেকে দেখা সম্ভব। রোমাঞ্চকর অভিযাত্রীরা সঙ্গী হন এমন চমৎকার আয়োজনের।মেইড অব দ্য মিস্ট নামের এই নৌযানটি পর্যটকদের অপার সৌন্দর্য্যের সাক্ষী হতে সহায়তা করে।
বাকি দুই ভাগ কানাডায়। যার নাম ‘কানাডিয়ান ফলস’। এটার আকার অনেকটা ঘোড়ার খুরের মতো বাঁকা। জলপ্রপাতটি মূলত তিনটি জলপ্রপাতের সমষ্টি। সবচেয়ে বড় জলপ্রপাতটির নাম হলো হর্সশু ফলস বা কানাডা ফলস। এটি প্রায় ১৬৭ ফুট উঁচু থেকে ২৬০০ ফুট চওড়া পানির স্রোত নিয়ে নিচে আছড়ে পড়ে। বলা হয় নায়াগ্রা জলপ্রপাতের প্রায় ৯০ ভাগ পানি এই ফলস দিয়েই পতিত হয়। এর পরের ফলসটির নাম আমেরিকান ফলস। এটি প্রায় ৭০ ফুট উঁচু এবং ১৬০০ ফুট চওড়া। সবচেয়ে ছোট প্রবাহের নাম ব্রাইডল ভেইল ফলস।এটাও আমেরিকার মধ্যে অবস্থিত।
পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মিঠাপানির ২০ ভাগ জমা রয়েছে দ্য গ্রেট লেকসে। এই গ্রেট লেকসের বেশিরভাগ পানিই প্রবাহিত হয় নায়াগ্রা ফলস দিয়ে। নায়াগ্রা ফলসের বিশালতা বিপুল জলরাশি এবং বিশালতা একে অপার সৌন্দর্য্যের আধার বললেও কম বলা হবেনা।
বছরের সময়ে সময়ে পানি প্রবাহের তারতম্য ঘটে। পুর্ণবেগে পানির প্রবাহ ৬০ লক্ষ কিউসেক প্রবাহিত হয়। তবে মোট পানি পতিত হওয়ার হিসাব অনুসারে প্রতি মিনিটে এর পরিমান দাড়ায় ৪০ লাখ ঘনফুট। এত বিপুল পানি স্বশব্দে ঘন্টায় প্রায় ৪০ কিলোমিটার বেগে পতিত হয়। নায়াগ্রার এই জলরাশির শক্তিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। এখানের বিদ্যুৎ আমেরিকার নিউইয়র্ক এবং কানাডার ওন্টারিওতে সরবরাহ করা হয়।
অতীতে নায়াগ্রা এবং গ্রেটলেকস সহ এর আশেপাশের এলাকা বরফে ঢাকা ছিলো। পৃথিবীর তাপমাত্রা পরিবর্তনের সাথে সাথে এখানে বরফও গলতে থাকে। তথন থেকে নায়াগ্রা লেক ইরি ও লেক অন্টারিও সূচনা হয়।
প্রতিবছর শীতকালে নায়াগ্রা জমে বরফ হয়ে যায়। সেসময় ঝরণার কিছু অংশ দিয়ে সামান্য পানির স্রোত দেখতে পাওয়া যায়। ১৮৪৮ সালে নায়াগ্রা জলপ্রপাত সম্পূর্ণ জমে বরফ হয়ে গিয়েছিলো। সেবছর প্রায় ৪০ ঘন্টা এই ঝরণা থেকে পানি পড়েনি।
নায়াগ্রার মাত্র ৩৫ কিলোমিটার দুরে আমারিকার অন্যতম সবুজে ঘেরা শহর বাফেলো। এখানের অধিবাসীদের অনেকই বাংলাদেশি। আমেরিকান সেরা ১০ শহরের তালিকায় এটি অন্যতম।
অনেক কৃতজ্ঞতা আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য। আমাদের এই চ্যানেলে পাবেন দেশ বিদেশের সব আকর্ষণীয় এবং অজানা সব তথ্য্

public eye programpublic eyeNiagara falls

Post a Comment

0 Comments